অনলাইন ইনকাম

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে যেভাবে ভালো আয় করা যায়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে যেভাবে ভালো আয় করা যায়

আমাদের এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে হলে আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে হবে।এফিলিয়েট মার্কেটিং কি তা আপনাকে প্রথমে জানতে হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো ডিজিটাল মার্কেটিং অন্তর্ভুক্ত যা বেশ জনপ্রিয়।এফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ হলো আপনার পন্য প্রচার-প্রচারণা করে বিক্রয় করা।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি খুব সহজে ইনকাম করেতে হবে কিন্তু আপনাকে আগে তা ভালোভবে শিখতে হবে।

Affiliate marketing শেখার জন্য আপনাকে কোন ওয়েবসাইট বা ইউটিউব বেছে নিতে হবে যেখানে আপনি ভালো ভাবে শিখতে পারবেন যা আমি আজকে প্রযুক্তি৭১ তা দিয়ে আলোচনা করবো এফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে আপনি আনিং করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো ইন্টারনেট মার্কেটিং যা মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং জন্য আপনাকে ব্লগ বা ই-কমাস সাইট বেছে নিতে হবে।

আপনি কি নিয়ে Affiliate marketing করবেন তা আগে থেকে বেছে নিতে হবে সে জিনিস উপর আপনি মার্কেটিং করবেন।

আপনার নিশ অনুযারী বুজে নিতে হবে কোন মাধ্যম আপনার জন্য ভালো হবো।

অনলাইন মার্কেটিং কেন করবেন?

সাধারণত অনলাইন মার্কেটিং অনেক সহজ যা নির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে পন্য প্রচার করা যায় যাতে অর্থ কম খরচ হয়।

দোকনে কোন পন্য তেমন বিক্রি হয় না কারণ নির্দিষ্ট কাস্টমার পাওয়া যায় না।কিন্তু অনলাইন মাকেটিং নির্দিষ্ট কাস্টমার পাওয়া যায় ফলে বিক্রি বেশি হয়।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো আপনি কোন টাকা ছাড়া অন্য কোম্পানি প্রোডাক্ট সম্পর্কে ধারণা নিয়ে পন্য মার্কেটিং করে আপনি ভালো পরিমান আনিং করতে পারবেন যা বিনা পুজিতে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি ?

সাধারণত এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো কোন একটি সাইটে তাদের পন্য এফিলিয়েট লিংক মাকেটিং করে পণ্যটি বিক্রি করা।

অনেক কোম্পানি আছে যারা তাদের পন্য প্রচার প্রচারনার জন্য তারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সিস্টেম চালু রাখে।

আপনি যখন এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন তখন আপনাকে ওই সাইটে রেজিস্টার করতে হবে তখন ওই সাইটে পন্য থেকে আপনাকে একটা এফিলিয়েট লিংক প্রোভাইট করবে যা দিয়ে আপনাকে মাকেটিং করে বিক্রি করতে হবে।

আপনি যখন অন্য সাইটের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন তখন ওই সাইট সে পন্য বিক্রি মাধ্যমে কমিশন প্রদান করবে।

তাই পন্য মার্কেটিং করা আগে ভালোভাবে কমিশন দেখে মার্কেটিং করবেন কারণ এক এক সাইটে পন্য কমিশন এক এক রকম হয়ে থাকে।

কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে প্র‍থমে আপনাকে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।আপনি কোন মাধ্যম ছাড়া অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন না করতে গেলে আপনাকে কোন মাধ্যম বেছে নিতে হবে।অনলাইনে সোশ্যাল মিডিয়া পেজ, ইউটিউব চ্যানেল, ব্লগ বা ই-কমার্স মাধ্যমগুলো যেকোন একটি বা দুটি মাধ্যম বেছে নিতে হবে।

আপনার যদি কোন একটি মাধ্যম থাকে তাহলে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যে মাধ্যম টি বেছে নেন না কেন প্রথমে একটু বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

আপনাকে প্রথমে বেশি পরিশ্রম করতে হবে আপনার পেজে লাইক বা ওয়েবসাইট ভিজিটর আপনার আনতে হবে।

আপনি যদি বেশি পরিশ্রম করতে না চান তাহলে তো পেইড মার্কেটিং আছেই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কিছু বিষয় জানতে হবে যা আপনি জানলে নিজেই এফিলিয়েট মার্কেটিং  করতে পারবেন চলুন জেনে নেই বিষয়গুলি

১.নিশ নির্বাচন

আপনি অনলাইন ইনকাম করার জন্য যেমন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বেছে নিয়েছেন এখন আপনাকে মার্কেটিং জন্য প্রথমে নিশ নির্বাচন করতে হবে।

আপনাকে এমন নিশ নির্বাচন করতে হবে যা আপনার সুবিধা অনুযায়ী যা থেকে আপনি ভালো মার্কেটিং করতে পারবেন।

আপনার যদি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি যে পন্য মাকেটিং করবেন সে পন্য আর্টিকেল লিখতে হবে।

আরেক টা জিনিস মনে রাখবে,ইংরেজি আর্টিকেল থেকে বাংলা আর্টিকেল সফলতা অর্জন করা বেশ কঠিন।তাই ইংরেজিতে আর্টিকেল লিখবেন।

২.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মাধ্যমে নির্বাচন করা

আপনি কিসের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভিজিটর আনতে চান তা মাধ্যম নিবাচন করুন যেমন-ওয়েবসাইট, ইউটিউব, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি।

আপনি ডোমেন-হোস্টিং ক্রয় করে সহজে একটি ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন।এখন অনেক কোম্পানি কম দাম ডোমেন-হোস্টিং দিয়ে থাকে।

৩.অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্বাচন করুন

এখন অনেক কোম্পানি মার্কেটারদের মার্কেটিং অনেক সহজ করে দিয়েছে।আমি নিচে কয়েক টি এফিলিয়েট প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করেছি।সেগুলো মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

আপনি যদি আর্টিকেল লিখে Affiliate marketing করতে চান তাহলে বিভিন্ন সাইটের এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম মাধ্যমে আপনি ভালো পরিমান আনিং করতে পারবেন।

তাছাড়া ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।

৪.অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্কে একাউন্ট করুন

প্রথমে আপনাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাইটে রেজিস্টার করতে হবে।আপনাকে যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং লিংক প্রোভাইট করবে তা দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হবে।

যে সাইটে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন সেখানে অবশ্যই সঠিক তথ্য দিয়ে একাউন্ট করবেন।

ইউটিউবের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

আপনারা যদি ওয়েবসাইট পাশাপাশি ইউটিউবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।এজন্য ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

সে পন্য সম্পর্কে ভিডিও করতে হবে ইউটিউবে ডেসক্রিপশনে প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিছু লিখে আপনার সে প্রোডাক্ট অ্যাফিলিয়েট লিংক দিয়ে দিবেন।

সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

আমরা অনলাইনে অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে যেমন- ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি।

আপনি চাইলে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে Affiliate marketing করতে পারেন।এজন্য আপনাকে ফেসবুকে বিজনেস পেইজ খুলতে হবে আপনার প্রোডাক্ট শেয়ার করতে হবে সাথে অ্যাফিলিয়েট লিংক দিতে হবে।

আপনার ফেসবুক পেজে লাইক বাড়াতে হবে এতে আপনার প্রোডাক্ট বেশি মানুষের কাছে পৌছাবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আয়ের উপায়?

সাধারণত ভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং আয় করার অনেক উপায় অছে কিন্তু
ব্লগ সাইট, ইউটিউব, ই-কমার্স সাইট, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি বেশি ভাগ মানুষ ৩টি নিয়ে বেশি কাজ করে থাকে।এই মাধ্যমগুলো মাধ্যমে অনেকে আয় করছে।এটার মাধ্যমে অনেকে টাগেট কাস্টমার পেয়ে থেকে ফলে পণ্য দ্রুত সেল দিতে পারে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে ভালো সাইটে কাজ করতে হবে যা থেকে আপনি আজীবন ভালো আনিং করতে পারবেন।

আপনাদের জন্য ভালো হবে এমন সাইটগুলো হলো-আমাজন, ইবেএনভাটোক্লিক ব্যাংকফ্লিপকার্ট ইত্যাদি।এই গুলো ছাড়া আরো কিছু সাইট আছে যেগুলো থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আনিং করা যায়।

আসুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সাইট গুলো সম্পকে জেনে নেই

আমাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

আমরা যারা প্রোডাক্ট ক্রয় করে থাকি তারা সবাই আমাজন ই-কমার্স সাইট যা ১৯৯৪ সালে তৈরি করা হয় যা সারা বিশ্বে জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট।সারা বিশ্বে এটি এক নাম্বার ই-কমার্স ওয়েবসাইট।

আপনি চাইলেও আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করতে পারেন অনেকে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকে।

আমাজন জনপ্রিয় হওয়ায় তারা তাদের এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম চালু করেছে।আপনি যদি আমাজন কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন তাহলে ১০% কমিশন পেয়ে যাবেন।

ইবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

সারা বিশ্বে ইবে অনলাইন শিপিং জনপ্রিয়
কম নয় তারা প্রায় অনেক বছর ধরে রাজত্ব করছে।

ইবে ওয়েবসাইট অনেক প্রোডাক্ট আছে যা থেকে আপনারা ইবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

ইবে এফিলিয়েট মার্কেটিং আপনার সকল প্রোডাক্ট কমিশন রেট এক না তা ভিন্ন ভিন্ন আছে তাই আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং করার সময় দেখে নিবেন।ইবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি ভালো আনিং করতে পারবেন।

এনভাটো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

এনভাটো কোম্পানি ২০০৬ সালে বাজারে আসে তারা অ্যাপলিকেশন ও গ্রাফিক্স  জন্য মার্কেটপ্লেস জনপ্রিয়।এই মার্কেটপ্লেস অনেক বড় যার কারণে এসব প্রোডাক্ট ভালো সেল হয়।

এছাড়া এনভাটো অধীনে আরো কিছু মার্কেটপ্লেস আছে যেমন-themeforest.netgraphicriver.netphotodune.netvideohive.net3docean.net-ইত্যাদি।

এনভাটো মার্কেটপ্লেস অন্য মার্কেটপ্লেস থেকে দিগুন কমিশন দিয়ে থাকে।

আপনি যদি এনভাটো মার্কেটপ্লেস থেকে কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন তাহলে ৩০% কমিশন পেয়ে যাবেন।

যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করবেন তারা এই মার্কেটপ্লেস কাজ করবেন কারণ এখানে কমিশন রেট অন্য সাইট থেকে বেশি।

ক্লিক ব্যাংক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

ক্লিক ব্যাংক সারা ওয়ার্ল্ডের জনপ্রিয় এফিলিয়েট প্রোগ্রাম তারা জনপ্রিয় কারণ তারা অন্য মার্কেটপ্লেস থেকে বেশি কমিশন দিয়ে থাকে।

আপনারা যদি ক্লিক ব্যাংক কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন তাহলে ১%-৭৫% কমিশন পেয়ে যাবেন যা অন্য মার্কেটপ্লেস থেকে অনেক বেশি।

আপনারা যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভালো আনিং করতে চান তারা এই সাইটি বেছে নিতে পারেন।

ফ্লিপকার্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং :

ফ্লিপকার্ট অনলাইন শপিং মার্কেটপ্লেসগুলোর মধ্যে অন্যতম।ফ্লিপকার্ট মার্কেটপ্লেস ইলেকট্রনিক পণ্য থেকে শুরু করে খাবার-দাবার ও জামাকাপড় ক্রয় করা যায়।

আপনারা তাদের অ্যাফিলিয়েট করতে পারেন তারা প্রোডাক্ট উপর ১২% মতো কমিশন দিয়ে থাকে।

ইন্ডিয়ার মধ্যে ফ্লিপকার্ট এর হেডকোয়ার্টার্স ।তার সব প্রোডাক্টে একই কমিশন দায় না কম বেশি রয়েছে আপনারা তাদের প্রোডাক্ট কমিশন দেখে নিবেন।

যারা Affiliate marketing করবেন তারা ফ্লিপকার্ট মার্কেটপ্লেস কাজ করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কেমন ইনকাম করা যায়?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি চাইলে মাসে ৫০০০০-১০০০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন যদি আপনার মনে ইচ্ছা থাকে।

আপনি যদি ভালো ইংরেজি আর্টিকেল লিখতে পারেন তাহলে আপনি অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট রিভিউ করে প্রতি প্রোডাক্ট ১০-৩০% কমিশন করে আপনি ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি যদি ডোমেন-হোস্টিং কোম্পানি মার্কেটিং জন্য ইউটিউবে চ্যানেল করে মার্কেটিং করে ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

আপনারা যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রতিমাসে ৫০ টা প্রডাক্ট ২০% কমিশনে বিক্রি করতে পারেন তাহলে মাসে ৫০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন তাহলে বছরে ৬,০০,০০০ টাকা ইনকাম আপনার আসবে।

ইন্ডিয়ান একজন ব্লগার “Mr.Harsh Agarwal” তিনি ১০ বছর অ্যাফিলিয়েট জন্য প্রোডাক্ট রিভিউ করে মাসে ৩০,০০০ ডলার ইনকাম করতে সক্ষম হয়েছে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং টাকা কিভাবে উত্তোলন করবেন?

আপনারা অনেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন কিন্তু অনেক চিন্তা কিভাবে টাকা উত্তোলন তা নিয়ে আমি আলোচনা করবো

আপনি যে মার্কেটপ্লেস কাজ করবেন সেখানে দেওয়া থাকবে কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন।বেশি ভাগ মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি ব্যাংক মাধ্যমে টাকা নিতে পারবেন যেমন- Paypal, Payoneer, Visa Card-ইত্যাদি। কিছু মার্কেটপ্লেস উইথড্র লিমিট দিয়ে দিতে পারে কত ডলার হলে উইথড্র দিতে পারবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার কিছু টিপস :

আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং দ্রুত সফলতা আনতে চান তাহলে আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে ইউটিউব বা ওয়েবসাইটে ইউনিক আটিকেল বা ভিডিও দিতে হবে।

আপনি যদি কপি ভিডিও বা আর্টিকেল দেন তাহলে আপনার আর্টিকেল বা ভিডিও র‍্যাংক করবে না।

আপনার ভিডিও বা আর্টিকেল ইংরেজি দিবেন আর্টিকেল ৪-৫ হাজার ওয়ার্ডের লিখবেন বেশি করে ব্যাংকলিংক করবেন তাহলে আপনার আর্টিকেল র‍্যাংক করবে।

সবসময় আর্টিকেল এসইও ফ্রেন্ডলি লিখবে ভুলেও আর্টিকেল কপি করবেন না এতে আপনার সাইটের জন্য ক্ষতি হবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন না।

শেষ কথা

আমি আজকে এফিলিয়েট মার্কেটিং আর্টিকেল আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি আশা করি ভালো লাগবে।আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং জন্য বেশি সময় কাজে লাগাতে হবে।

আপনারা যারা ভালো ইনকাম করতে চান তারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন

আপনি আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে ভালো আর্টিকেল লিখলে আপনার বিক্রি ভাল আসবে আপনাকে প্রথমে পরিশ্রম করতে হবে যদি পারেন পেইড মাকেটিং করতে পারেন।

আপনারদের চেস্টা থাকে শেখার আগ্রহ থাকে তাহলে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভালো ইনকাম করতে পারবেন অনেকে আছে যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ভালো ইনকাম করছে।

আপনাকে চেস্টা ও নতুন কিছু শেখার অভ্যাস সৃষ্টি করতে হবে।

আমার আর্টিকেল আপনাদের উপকার আসে তাহলে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন।

Tags

Sohan

সময়ের সাথে আপোষ করছি বিনম্র শ্রদ্ধায়, জুড়ছি তাইতো সময়কে নিয়ে অজস্র অধ্যায়!

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close