টেক নিউজ

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স কি?কিভাবে কাজ করে

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স কি?কিভাবে কাজ করে

আপনারা সবাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর ব্যাপারে শুনে থাকবেন।না শুনে থাকলেও সমস্যা নেই।কারন আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো AIকি? কিভাবে কাজ করে এবং এর ভবিষ্যত কেমন হতে পারে সাথে

আরো অনেক অজানা বিষয় যা আপনার মস্তিষ্ককে নাড়িয়ে দিবে।তো চলুন, শুরু করা যাক আজকের বিষয় নিয়ে।


প্রতিদিন সময়ের সাথে বাড়তে থাকে কাজের ব্যস্ততা,আর ব্যস্ততার মাঝে অনেক কাজ সারতে হয়।যেমন ধরুন, চাকরির আ্যপন্টমেন্ট ঠিক করা,বা কোন রেস্টুরেন্ট এর বুকিং দেয়া।

আর এজন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফোন কল দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। তো কক্ষনো ভেবে দেখেছেন কি? আপনার এই কাজগুলো ফোনের মাধ্যমে অন্যকেউ করে দিবে, যা কোন মানুষ নয়!!এবং সামনের জন বুঝবেই না যে এটি একটি গেজেড!! কি অবাক হচ্ছেন? এই সব কিছুই সম্ভব AI বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর মাধ্যমে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন প্রযুক্তি হচ্ছে এ আই।

এটি মানুষের বুদ্ধি অনুকরণ করে কাজ করে। মোটকথা, এটি এমন এক হাইটেক প্রোগ্রাম, যেটার সাহায্যে মেশিন মানুষের মতো ডিসিশন নিতে ,বিশেষ করে কম্পিউটার প্রোগ্রাম।

এ আই এর ইতিহাস আজকের নয় কম্পিউটার আবিষ্কার হওয়ার অনেক আগে থেকে বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করেছে।মুলত কম্পিউটার আবিস্কার হওয়ার পর থেকেই এর পরিধি ও বিস্তার বৃদ্ধি পেতে থাকে।

১৯৪৭ সালে সর্বপ্রথম অ্যালান টিউরিং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে বক্তব্য দেন। তারপর থেকে গবেষকরা,

বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন ভাবে এআই নিয়ে তাদের মতামত ব্যাক্ত করেন।

এআই কে ব্যাসিক্যালি আমরা ৩ ভাগে ভাগ করে থাকি।

Weak AI(Artificial Narrow Intilligence) এ ধরনের ইন্টিলিজেন্স যেকোন একটি বিষয়ে কাজ করে থাকে।এবং যেকোন একটি স্পেসিফিক বিষয়ের উপর এক্সপার্ট হয়ে থাকে।এবং সেটি ছাড়া সে অন্যকিছু করতে পারেনা।

আপনার কম্পিউটার বা ডিভাইসটি যেকোন অনলাইন গেমস এ আপনাকে হারিয়েও দিতে পারে।যেমন লুডু, চেস,ফুটবল ইত্যাদি যা আপনি আপনার কম্পিউটার এর সাথে খেলে থাকেন।

আর আরেকটি বিষয়, আপনি নিশ্চয়ই অনলাইনে কেনাকাটা করে থাকেন

কেনাকাটার সময় দেখবেন আপনি যে প্রোডাক্ট টি কিনবেন সে প্রোডাক্ট রিলেটেড আরো কিছু প্রোডাক্ট নিচে দেখা যাবে।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল এ দেখা যাবে যে, সেখানে যে সিস্টেম আছে তা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল করার জন্য পারফেক্ট। এবং মানুষের থেকে হাজার গুন বেশি ভালোভাবে কাজ করে।

এবং সেটি ছাড়া অন্য কিছু পারে না.।Weak Ai সিস্টেম এমন যে এটি স্পেসিফিক কাজ যা তাকে শিখানো হয়েছে তা ছাড়া সে অন্যকিছু পারেনা।

বর্তমানের এর ব্যবহার সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে এবং আপনারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার দেখে থাকবেন।

Strong AI( artificial general intelligence. এই সিস্টেমের মানুষের ব্রেনের লেভেল এর সাথে মেশিন বা কম্পিউটারের লেভেল মিলে যায় মানে একই ভাবে কাজ করতে সক্ষম। আপনি যা চিন্তা করেন,যা কাজ করেন,বা আপনার স্বাভাবিক যে ভঙিমা আছে সেটি যদি কোন মেশিন বা কম্পিউটার করতে পারে তখন তাকে Strong AI বলবো।

সেদিন বেশি দুরে নয়, যেদিন মানুষ এর মত রোবট ও চিন্তা করতে পারবে।

২০৫০ এর মধ্যে আশা করা যায় এই প্রযুক্তিটি বাজারে আসবে।তারা আমাদের মত আচরন করতে পারলে তখন কি হবে?একবার ভাবুন তো!!

Singularity (artificial super intelligence. এই ইন্টেলিজেন্স যদি একবার এসে পড়ে তাহলে তা হবে মানব সমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ কারণ এটি এমন একটি সিস্টেম যার সামনে মানুষ কিছুই না। একবার এটি মানুষের লেভেলে এসে পড়লে এটি তার বৃদ্ধি ও স্কিল বাড়াতে থাকবে,

তারা নিজেরাই নিজেদের তৈরি করবে যার সামনে মানুষকে পিপীলিকা মনে হবে এটি কিছুদিন বা কিছু সপ্তাহের মধ্যে দেখা দিতে পারে যদি স্ট্রং এ আই এর বিকাশ ঘটে যায়।

আর তারা নিজেদের মতো চিন্তা করবে এবং তাদের ভালো দিকটা চিন্তা করবে যাতে তাদের ভালো হয়।

সিঙ্গুলারিটি এআই নিয়ে গবেষকদের মধ্যে অনেক মতবিরোধ চলছে তবে যাইহোক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ এর ভয়াবহতার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স

অ্যাপল গুগল মাইক্রোসফট থেকে শুরু করে বিশ্বের জায়ান্ট জায়ান্ট কোম্পানিগুলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জন্য বিনিয়োগ করছে।

কারণ এর সাহায্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল কাজ খুব সহজে করা যাচ্ছে আজকের টেকনোলজি এআই ছাড়া অচল।

যেকোনো সময় এ আই সারা বিশ্বে তুমুল বৈপ্লবিক ঘটাতে পারে।

আশা করা যায় নিকট ভবিষ্যতে এই আই এর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

তাই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এ আই এর ছোঁয়া লেগেছে।

কিন্তু আমাদের দেশে কিছু কোম্পানি কাজ করলেও বিনিয়োগ পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই তাই তেমন উন্নতি হচ্ছে বাংলাদেশে।

মেশিং লার্নিং মেশিন লার্নিং এ আই আর একটি অংশ,

কিন্তু এ আই ও মেশিন লার্নিং দুটি আলাদা জিনিস যে কোন একটি মেশিন বা সফটওয়্যারকে কিছু শেখানো।

যা অভিজ্ঞতার আলোকে তাকে শেখানো হয় যার জন্য তাকে প্রচুর ডেটা দিতে হয় এবং কিভাবে সমস্যার সমাধান করতে হবে তা শিখানো হয়। মোবাইলে যে ফেসলক ব্যবহার করা হয় তা মেশিন লার্নিং সে শুধু নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তির চেহারা দেখেই তাকে চিনতে পারবে।

কিন্তু তার সামনে যদি কোন বিড়াল বা কোন প্রাণী রাখা হয় তাহলে সে তা করতে পারবে না।

কারণ তাকে শুধু মানুষের ফেস আনলক করার জন্য বানানো হয়েছে।

ডিপ লার্নিং ডিপ লার্নিং মেশিন লার্নিং এর একটি সাবসেট যেখানে একটি বিশাল তথ্য ভান্ডার থেকে তাকে নির্দিষ্ট কিছু শিখানো হয়ে থাক

যারফলে পরবর্তিতে কোন সমস্যা হলে সে তার সংরক্ষিত ডেটা থেকে নিজে নিজেই সমস্যার সমাধান করে ফেলতে পারবে।

ই-কমার্স চ্যাটবোট এটার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপনার পছন্দমত জিনিষ এর বিস্তারিত জানতে পারবেন।

আর মজার বিষয় হচ্ছে আপনি তার সাথে দামাদামীও করতে পারবেন।

পুর্বের ডেটা থেকে কাস্টমারদের সাথে আলাপচারিতার মাধ্যমে ডিল করে থাকে চ্যাটবোট মশাই।

AIBO(এইবো) আপনার পোষা প্রানীটি যদি রোবট হয় তাহলে কেমন হয়!!শুনতেই খুব রোমাঞ্চকর লাগছে না!! এইবো হচ্ছে একটি কুকুর ছানার সিরিজ।যা আপনার সঙ্গী হবে,খেলার সাথি হবে। আসল কুকুরের মত এটার মধ্যেও ইমোশন ও বাহ্যিক অঙ্গভঙ্গি প্রকাশ পাবে যা খুবই একটি এক্সাইটিং বিষয়,

উপরের দুটি এইআই টেকনোলজি নিয়ে জানা হলো আমাদের।

তো আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স সম্পর্কে জানবেন কোথা থেকে ?

আমি আপনাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স জানার জন্য

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স কি কোর্স সাজেস্ট করতেছি

Artificial Intilligence

আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স কি ও কিভাবে কাজ করে বুজতে পেরেছেন।

সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন আমাদের প্রযুক্তি৭১ সাথে থাকুন

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close