youtube-seo

ইউটিউব এসইও (YouTube SEO) কি?

ইউটিউব  এসইও হচ্ছে আপনার চ্যানেল এর ভিডিও কীওয়ার্ড গুলো কে সার্চ রেজাল্ট এর প্রথম পজিশন এ নিয়ে আসার জন্য যেই কার্যবলি করা হয়ে থাকে তাকেই ইউটিউব এসইও বলে । আপনার চ্যানেল এর , প্লে লিস্টগুলো, মেটাডাটা ঠিক ভাবে করা, মেটা ডেসক্রিপশন সঠিক উপায়ে দেওয়া, ব্যাকলিং করা, ভিডিও অপ্টিমাইজ করাই হচ্ছে ইউটিউব এসইও এর কাজ । আপনি ভিডিও অপ্টিমাইজ ঠিক ভাবে করতে পারলেই আপনার ভিডিও র‍্যাংক করাতে পারবেন খুব সহজে।
ইউটিউব এসইও এবং ভিডিও র‍্যাংক করার জন্য আপনাকে যেই টুলস গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে তা টেবল আকারে নিচে দেওয়া হ

Google Keyword Planner (গুগল কিওয়ার্ড প্লানার হচ্ছে কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য ব্যবহার করা হয়)
TubeBuddy –সহজেই আপনার চ্যানেলটির ভিডিও অপ্টিমাইজ করার জন্য এইটি সেরা
Serpstat (সারপস্টেট এর মাধ্যমে ভিডিও গ্রোথ কেমন হচ্ছে তা আপনি জানতে পারবেন
YouTube Studio ভিডিও এর সাবটাইটেল এবং ক্যাপশন এর এইটা ব্যবহার করা হইয়ে থাকে
vidIQ Vision for YouTube Extension – এই এক্সটেনশন এক্টিভ করার মাধ্যমে আপনি আপনার চ্যানেল এর সব কিছু ধারণা পাবেন

1 COMMENT

  1. […] পার্সোনাল আইডিঃফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে একটা পার্সোনাল এফবি আইডি লাগে। আগে যে কোন আইডি দিয়েই বুস্ট করা যেত। সেটা ফেক নাকি অথেনটিক সেটা যাচাই বাচাই করত না। ইদানিং আইডি এর ব্যাপারে সন্দেহজনক কিছু পেলেই সেই আইডি কে এড রেসট্রিকটেড করে দিচ্ছে। ভেরিফিকেশন করার পর যদি অথেনটিক মনে করে তা হলে সেটার ওপর যে বাধা ছিল তা উঠিয়ে নিচ্ছে।এড অ্যাকাউন্ট:বুস্ট করতে গেলে যেইট লাগে তা হল এড অ্যাকাউন্ট বা এড ম্যানেজার। সেটা পার্সোনাল হতে পারে আবার বিজনেস ম্যানেজার হতে পারে। এ সব এড অ্যাকাউন্ট এ অন্য কাউকে এডমিন এক্সেস দেয়া যায়। তারা কার্ড এড করতে পারে, বুস্ট দিতে পারে। ফেসবুকের এড পলিসি না মানার কারণে এখন অনেক বেশি পরিমাণে এড রিজেক্ট করে দিচ্ছে এবং এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে। এটা যে সব সময় জেনুইন কারণে হচ্ছে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় সিস্টেম এররের কারণেও এসব ঘটছে।বিজনেস পেজঃবুস্ট করতে গেলে বিজনেস পেজ লাগে। আর পেজের পোস্টগুলোই বুস্ট করা হয়। পেজের পোস্টে ক্লিক করে বুস্ট করা যায় অথবা এড ম্যানেজার থেকে বুস্ট করা যায় কিংবা মোবাইলের আপস ব্যবহার করেও বুস্ট করা যায়। তবে যে প্লাটফর্ম থেকেই এড বুস্ট করা হোক না কেন সেটার জন্য একটা এড অ্যাকাউন্ট লাগে। বিজনেস পেজের এক্টিভিটির জন্য এখন “পেজ কোয়ালিটি” বিবেচনা করা হয়। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ভঙ্গ করলে বিভিন্ন ধরনের রেস্ট্রিকশন আরোপ করে পেজে। সেটা হতে পারে রিচ কম হওয়া, ভিউ কম হওয়া। আবার বার বার কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে না চললে গুরুতর ব্যবস্থাও নিতে পারে। সেটার কারণে পেজ টা আনপাবলিশড হতে পারে। আবার Intellectual Property Rights না মেনে কোন কন্টেন্ট পেজে ব্যবহার করে রিপোর্ট খেলে পেজ টা চিরতরের জন্য হারাতে পারেন। পেজে কোন রেসট্রিকশন থাকলে সেটার প্রভাব বুস্ট করার সময় পড়ে। বুস্ট থেকে রিচ আসে, এড ভাল পারফর্ম করে না। শুধু তাই নয়, ফেসবুকের এড পলিসি ভঙ্গ করার জন্য আপনার পেজ টা এড রেসট্রিকটেড করে দিতে পারে।পেমেন্ট মেথডঃফেসবুকে বুস্ট করতে গেলে পেমেন্ট মেথড লাগে। আমাদের দেশে যে সব পেমেন্ট পাওয়া যায় তা হল মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড এবং আমেরিকান একপ্রেস। ইদানিং বাংলাদেশের ব্যাংক গুলো থেকে ইস্যু করা কার্ড গুলো অনেক সময় ফেসবুক গ্রহণ করতে চায় না। বিশেষ করে প্রি-পেইড বা ডেবিট কার্ড। আবার কার্ড গ্রহণ করলেও কিছুদিন চলার পর তা সাসপেন্ড করে দেয়।এখন কিভাবে সঠিক উপায়ে বুস্ট করবেন তা আলোচনা করিঃপ্রথেম  ফেসবুক পেজ একাউন্ট এ প্রবেশ করবেন তারপর ফেসবুক এর  সব অংশ মানে এবাউট, বিজনেস টাইপ,ক্যাটাগরি ইত্যদি ভালো ভাবে সাজিয়ে নিবেন এখন আপনার ডেবিট কার্ড বা ক্রেডিট ডুয়েল কারেন্সি কার্ড লাগবে বুস্ট করার জন্য। সব চাইতে সুবিধা হচ্ছে ইবিএল ইকুয়া কার্ড যারা নতুন তাদের জন্য । এখন অডিয়েন্স,লোকেশন, ঠিক করে সিলেক্ট করুন। কত দিনের জন্য বুস্ট করতে চাচ্ছেন তা ঠিক করুন। যদি কোন কিছু বুজতে অসুবিধা হয় তাহলে আপনার পরিচিত ডিজিটাল মার্কেটার এর সহযোগিতা নেন।যদি কোন ডিজিটাল এজেন্সি এর মাধ্যমে বুস্ট করাতে চান তাহলে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেনঃপ্রথম তাদের বিজনেস ভ্যালু যাচাই করেন মানে তাদের পেজে ডুকে রিভিউ কেমন তা দেখুন। যারা সার্ভিস নিয়েছে তাদের মতামত কি কি ছিল তা ভালভাবে লক্ষ্য করুন । প্রতি ডলার এ কত অডিয়েন্স এর কাছে আপনার পোস্ট রিচ করাবে তা জেনে নিন। কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট ওরা দিবে কিনা তা কথা বলে নিবেন। ইউটিউব বিষয়ে জানতে আমার ইউটিউভ এসইও আর্টিকেল টি এইখানে থেকে পড়তে পারেন Youtube-seo […]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here