content

কনটেন্ট রাইটিং শুধু নিজের মত করেই লিখলেই চলবে না তার জন্য কিছু কলা-কৌশল রয়েছে। আজকে আমি আপনাদের কে কন্টেন্ট রাইটার হতে হলে কি কি বিষয় ফলো করে এগিয়ে যেতে হবে ওই বিষয় গুলো নিয়ে লিখবো…

কনটেন্ট কি ? যেকোনো তথ্যবহুল বিষয় বা পণ্যকে বিস্তারিতভাবে অডিয়েন্স এর কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করাই হচ্ছে কনটেন্ট। এই কনটেন্ট আবার সবাই পড়ে না বুঝলে কোনো কাজে আসবে না। তাই আমাদের আগে জানতে হবে কনটেন্ট কি এবং কি করে সর্বসাধারণ গৃহীত কনটেন্ট লিখা যায়।

বর্তমানে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কনটেন্ট রাইটিংয়ের বেশ চাহিদা রয়েছে একজন কন্টেন্ট রাইটার এর মাসিক আয় একজন গ্রাফিকস ডিজাইনার এর চাইতেও বেশি হয়। আপনি যদি একজন কন্টেন্ট রাইটার হতে চান তাহলে বেশ কিছু ব্যাপারে আপনাকে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।
projukti-con1

যে বেসিক জিনিসগুলো জানা দরকার তা হলো তা হলো ঃ

১ যথাযথ কনটেন্ট লেখা (বানান ভুল ঠিক করে প্রকাশ করতে হবে যেন সহজে আপনার অডিয়েন্স পড়ে বুজতে পারে)

২.কত ওয়ার্ড এর কন্টেন্ট লিখবো?এই প্রশ্নের উত্তরে বলতে হবে। একটা কন্টেন্ট ৩০০ শব্দের উপরে ১০০০ কিংবা সামন্য বেশি শব্দের হতে হবে। তানাহলে কটেন্ট এর পূর্ণতা পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায় । তাই কন্টেন্ট লেখার ক্ষেত্রে দীর্ঘ কতটুকু এই ব্যাপারে লক্ষ রাখতে হবে এবং সেই অনুযায়ী করতে হবে। বেশি বড় হলে পাঠক পড়ে মজা পাবে না আবার বেশি ছোট হলে লেখার পূর্ণতা পাওয়া যাবে না।

৩.ভাষার ক্ষেতে যদি বলি বলতে হবে। যেহেতু বেশিরভাগ পাঠক ইংরেজি কন্টেন্ট পড়তে চায়। তাই ইংরেজি কন্টেন্ট লিখার দক্ষতা রাখতে হবে। যাতে ক্লায়েন্ট যথাযথ কন্টেন্ট রিডারদের সাড়া পায়। একই সঙ্গে প্রকাশভঙ্গি (লেখার ধরন ও অভিব্যক্তি), মান দেশ অনুযায়ী হবে (যেমন কানাডা,আমেরিকা যুক্তরাজ্য ইত্যাদি)। এ কারণেই বিদেশি সংস্কৃতি বুঝতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে সবার উদ্দেশ্যে লেখা অনেকটা সহজ হবে

৪.এমনভাবে লিখতে হবে যেন যেকোনো শিক্ষিত মানুষ বিষয়বস্তু পুরোপুরি বুঝতে পারে। তবে প্রযুক্তিগত কনটেন্টের হিসাব ভিন্ন। সার্চ ইঞ্জিন (seo) মৌলিক ধারণা, ওয়ার্ডপ্রেস, এইচরেফস-এর দক্ষতা হলো বোনাস। প্রত্যেক কনটেন্ট লেখককে আন্তরিকভাবে নতুনত্বের সব কিছু জানার ব্যাপারে আগ্রহী হতে হবে। যে বিষয়ে লিখবে সে বিষয় সম্পর্কে কৌতূহলী হতে হবে এবং সর্বোপরি লিখতে ভালোবাসতে হবে। ইন্টারনেটে লাখ লাখ চমৎকার বিষয় পাওয়া যায় এবং কনটেন্ট লেখকের উচিত বিভিন্ন বিন্যাস এবং উপস্থাপনের কৌশল লক্ষ করা। যখন লিখছেন না, তখন পড়ুন। এসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের জন্য সময় প্রয়োজন, তাই ধৈর্য ধরে রিচার্জ করার
মনমানসিকতা ঘডে তুলতে হবে।

৫.তবে এমন একজন দিকনির্দেশক খুঁজে বের করুন, যিনি আপনাকে দিকনির্দেশনা দেবেন এবং আপনার লেখা সম্পর্কে ভালো মন্দ জানাবেন। এটি আপনাকে ভুল গুলো চিহ্নিত হতে সহযোগিতা করবে। এরপর স্থানীয় ছোট কোম্পানি প্রথমে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করলে। ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করলে ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো ইনকাম করা যাবে ।

৬.আপনার কন্টেন্টটা প্রস্তুত হয়ার পর প্রকাশ করার জন্য।কন্টেন্ট এর লিখা কপি করা কিনা ওই ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ার জন্য । আপনি আপনার কন্টেন্টটার plagiarism টা টেস্ট করে নিতে পারেন এই জন্য আপনি seo small tools ব্যবহার করতে পারেন বা কপি scrape এর মাধ্যমে আপনি ডুপ্লিকেট লিখা কিনা তা এক বার চেক করে নিবেন। কারণ ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট এর জন্যই আপনি গুগল কর্তৃক (কপি রাইটের) সমস্যার শিকার হতে পারেন

ইনশাআল্লাহ এই সকল নিয় অনুসরণ করলে আপনি একজন ভালো কন্টেন্ট রাইটার হতে পারবেন এবং সবশেষে একটা কথা হল আপনাকে জ্ঞান পিপাসু ততে হবেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here