হাজিরা-মেশিন

ডিজিটাল হাজিরা মেশিন এর দাম ও সেরা ব্র্যান্ড এর কিছু হাজিরা মেশিন

অ্যাক্সেস কন্ট্রোল মেশিন বা ডিজিটাল হাজিরা মেশিন এমন একটি সিস্টেম যার মাধ্যমে এক কোন ব্যক্তির এক্সেস নিয়ন্তন করতে পারে । এই মেশিন টি স্কুল,কলেজ, অফিস,আদালত ইত্যাদি স্থানে ডাটাবেস ঠিক ভাবে সংরক্ষন ও যাচাই-বাছাই করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রটিকে আবার উপস্থিতি হাজিরার কাজে ব্যবহার করা হয় যা টাইম আটেন্ড্যান্স বা অ্যাক্সেস কন্ট্রল নামে পরিচিত। দাম জানতে কল করুনঃ ০১৮৭৩৯৯৫৪২২

নিরাপত্তার পদ্ধতিঃ

ডিজিটাল এক্সেস কন্ট্রোল বা হাজিরা মেশিন বিভিন্ন পদ্ধতিতে নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে এর মধ্যে রয়েছে ফিঙ্গার, রেটিনা, ফেস, কী-প্যাড, আইডিকার্ড উল্লেখযোগ্য।  
১। ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিন সিস্টেমঃ যে পদ্ধতিতে হাতের আঙ্গুল এর স্ক্যানবা চাপ নেওয়ার মাধ্যমে নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে তাকে ফিঙ্গার প্রিন্ট আক্সেস কনট্রোল বলে থাকে । এই সিস্টেমে পুর্বেই অডিয়েন্স বা গ্রাহক থেকে ফিঙ্গার এর তথ্য ইনপুট করে রেজিস্ট্রেশন করা হয়। পরবর্তিতে পূর্বের তথ্যের উপরে ভিত্তি করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিন  কাজ করে থাকে। বাজারে সেরা কিছু মডেল রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে Zkteco F22, Realtime R51, Virdi AC7000 . এই ডিভাইস গুলো ৮০০০ হাজার থেকে ১৫০০০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

২। রেটিনা সিস্টেমঃ আমাদের চোখের মণির পিছনের আলোকসংবেদী পর্দা কে বলা হয়ে থাকে রেটিনা। অ্যাক্সেস কন্ট্রলের বা Digital access Control  মধ্যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর ভিতরে রেটিনা স্ক্যান করে তথ্য ইনপুট করা যায় খুব সহজে। যার ফলে অ্যাক্সেস কন্ট্রোলের আলো চোখের উপরে পরলে তা পূর্বের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্ক্যান করে তথ্য সংরক্ষন করে থাকে। Zkteco MultiBio 800-H, Zkteco uFace 800fingerprint-machine

৩। ফেস সিস্টেমঃ বর্তমান এটি সময়ের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তির নিরাপত্তা ডিভাইস হিসেবে সুপরিচিত রয়েছে। এ ডিভাইসের সাথে যুক্ত থাকে সেন্সর যুক্ত ক্যামেরা যা ফেসকে বা মুখ মন্ডল কে খুব দ্রুত স্ক্যান করতে পারে। পুর্বের ডিভাইস গুলোর মতো  ফেস সিস্টেম face access control device ডাটা আগেই ইনপুট করে দিতে হয়। সেই ডাটার উপর ভিত্তি করে Face কাজ করে থাকে।

৪। কী-প্যাড সিস্টেমঃ অফিস বা বড় করপোরেট অফিসে নির্দিষ্ট আইডির নাম্বার বাটনে চাপ দিয়ে ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে.

৫। আরএফআইডি সিস্টেমঃ আরএফআইডি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন বা বেতার কম্পাঙ্ক চিহ্নিতকরণ। রেডিও এর ফ্রিকুয়েন্সির মাধ্যমে কাজ করে থাকে এই আরএফআইডিডিভাইস। দেওয়া তথ্যগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করতে ও ট্র্যাক করতে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ক্ষেত্রগুলি ব্যবহার করে। এর জন্য এ ডিভাইসের সাথে রেডিও রিসিভার এবং ট্রান্সমিটার যুক্ত করা থাকে।

ডিভাইসের ক্যাপাসিটিঃ সকল প্রকারের  অ্যাক্সেস কন্ট্রোলের ধারণ ক্ষমতা একই রকমের হয় না। ব্যবহারকারীর প্রয়জনীয় চাহিদার  উপর ভিত্তি করে এটি নির্বাচন করা উচিৎ। এখানে দুই ধরনের ক্যাপাসিটি থাকে একটি হল ইউজার ক্যাপাসিটি অন্যটি হল লগ ক্যাপাসিটি। এর মধ্যে ইউজার ক্যাপাসিটি বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে। ইউজার ক্যাপাসিটি ২৫৫ থেকে ১০০০০০ এর উপর পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে সেটা এক্সেস কন্ট্রলের সিস্টেমের ওপরে নির্ভর করে থাকে।

দরজার সেন্সর ও লকঃ দরজার সেন্সরগুলি আপনার অফিস বা বাড়ির সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি অত্যাবশ্যক উপাদান। বাড়িতে বা দোকান এ কেউ প্রবেশ করলে জানিয়ে দেয় এবং । যখন কেউ দরজা খুলবে, তখন দুটি অংশ  অটোমেটিক আলাদা হয়ে যাবে । এছড়াও বর্তমান সময়ে দরজায় স্মার্ট লক ব্যবহার করা হয় থাকে অনেক জায়গায়। স্মার্ট লকের সেন্সরটি দরজাটি খোলা বা বন্ধ আছে কিনা তা সনাক্ত করে এবং যদি দরজাটি খোলা থাকে তখন লক করতে চাইলে সতর্ক করে দেয়।

কানেক্টিভিটিঃ একটি ডিভাইসের কানেক্টিভিটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে এর সিকিউরিটি সিস্টেমের উপরে। ভিন্ন ধরনের সিকিউরিটি সিস্টেমে ভিন্ন ধরনের কানেক্টিভিটি ব্যবহার করা হয়েছে তার মধ্যে-কি-প্যাড আরএফআইডি এর মধ্যে টিসিপি / আইপি , ওয়াই-ফাই অপশনাল এবং ইউএসবি হোস্ট ব্যাবহার করা হয়ে থাকে সব ধরনের এক্সেস ডিভাইসে।

ব্যাকআপ পাওয়ারঃ সকল প্রকারের এক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইস এর মধ্যে ব্যাটারী ব্যাকআপ থাকে না। তবে বর্তমানে অধিকাংশ এক্সেস কন্ট্রলের মডেল এর মধ্যে ব্যাটারি ব্যাক আপ দেওয়া থাকে যা বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চালু থাকে। সেটা নির্ভর করে মেশিনের ব্যাটারির ক্যাপাসিটির ও ব্যবহারকারির ধরনের উপরে। তবে ব্যবহারের সুবিধার জন্য অফিসে  এক্সেস কন্ট্রোল ডিভাইসে ব্যাটারি ব্যাকআপ থাকা ভালো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here