projukti71-boost

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর মধ্যে আমাদের দেশে ফেসবুক ব্যবহার ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে শীর্ষে অবস্থান করছে । ব্যবসায়ের বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্টান এর প্রথম পছন্দ হল ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম । আজকে আমি আপনাদের কে জানাবো কিভাবে ফেসবুক পেজে বুস্ট করতে হয়ে।
ফেসবুক বুস্ট কি: সহজ ভাষায় বলতে গেলে টাকা খরচ করে ব্যবসায়ের প্রচার ও প্রসারের জন্য ফেসবুক যে এড বা ক্যাম্পেইন করা হয়ে, তাকে বুস্ট বলা হয়ে থাকে । আপনার প্রতি ডলার খরচ করলে আপনার পোস্ট বা পেজ রিচ করবে মিনিমাম ৮০০-১০০০ জনের কাছে। তাহলে বুজতেই পারছেন খুব দ্রুত ব্যসায়ের গ্রোথ করানোর জন্য এইটা খুবই কার্যকরি একটা উপায় বর্তমান প্রেক্ষাপটে।

পেইড মার্কেটিং করার পূর্বে আপনাকে যেই বিষয়গুলো আগে জানতে ও বুজতে হবেঃ

পার্সোনাল আইডিঃ
ফেসবুকে এড বুস্ট করতে গেলে একটা পার্সোনাল এফবি আইডি লাগে। আগে যে কোন আইডি দিয়েই বুস্ট করা যেত। সেটা ফেক নাকি অথেনটিক সেটা যাচাই বাচাই করত না। ইদানিং আইডি এর ব্যাপারে সন্দেহজনক কিছু পেলেই সেই আইডি কে এড রেসট্রিকটেড করে দিচ্ছে। ভেরিফিকেশন করার পর যদি অথেনটিক মনে করে তা হলে সেটার ওপর যে বাধা ছিল তা উঠিয়ে নিচ্ছে।
এড অ্যাকাউন্ট:
বুস্ট করতে গেলে যেইট লাগে তা হল এড অ্যাকাউন্ট বা এড ম্যানেজার। সেটা পার্সোনাল হতে পারে আবার বিজনেস ম্যানেজার হতে পারে। এ সব এড অ্যাকাউন্ট এ অন্য কাউকে এডমিন এক্সেস দেয়া যায়। তারা কার্ড এড করতে পারে, বুস্ট দিতে পারে। ফেসবুকের এড পলিসি না মানার কারণে এখন অনেক বেশি পরিমাণে এড রিজেক্ট করে দিচ্ছে এবং এড অ্যাকাউন্ট ফ্লাগ করে দিচ্ছে। এটা যে সব সময় জেনুইন কারণে হচ্ছে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় সিস্টেম এররের কারণেও এসব ঘটছে।fb-add-manager
বিজনেস পেজঃ
বুস্ট করতে গেলে বিজনেস পেজ লাগে। আর পেজের পোস্টগুলোই বুস্ট করা হয়। পেজের পোস্টে ক্লিক করে বুস্ট করা যায় অথবা এড ম্যানেজার থেকে বুস্ট করা যায় কিংবা মোবাইলের আপস ব্যবহার করেও বুস্ট করা যায়। তবে যে প্লাটফর্ম থেকেই এড বুস্ট করা হোক না কেন সেটার জন্য একটা এড অ্যাকাউন্ট লাগে। বিজনেস পেজের এক্টিভিটির জন্য এখন “পেজ কোয়ালিটি” বিবেচনা করা হয়। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ভঙ্গ করলে বিভিন্ন ধরনের রেস্ট্রিকশন আরোপ করে পেজে। সেটা হতে পারে রিচ কম হওয়া, ভিউ কম হওয়া। আবার বার বার কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে না চললে গুরুতর ব্যবস্থাও নিতে পারে। সেটার কারণে পেজ টা আনপাবলিশড হতে পারে। আবার Intellectual Property Rights না মেনে কোন কন্টেন্ট পেজে ব্যবহার করে রিপোর্ট খেলে পেজ টা চিরতরের জন্য হারাতে পারেন। পেজে কোন রেসট্রিকশন থাকলে সেটার প্রভাব বুস্ট করার সময় পড়ে। বুস্ট থেকে রিচ আসে, এড ভাল পারফর্ম করে না। শুধু তাই নয়, ফেসবুকের এড পলিসি ভঙ্গ করার জন্য আপনার পেজ টা এড রেসট্রিকটেড করে দিতে পারে।
পেমেন্ট মেথডঃ
ফেসবুকে বুস্ট করতে গেলে পেমেন্ট মেথড লাগে। আমাদের দেশে যে সব পেমেন্ট পাওয়া যায় তা হল মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড এবং আমেরিকান একপ্রেস। ইদানিং বাংলাদেশের ব্যাংক গুলো থেকে ইস্যু করা কার্ড গুলো অনেক সময় ফেসবুক গ্রহণ করতে চায় না। বিশেষ করে প্রি-পেইড বা ডেবিট কার্ড। আবার কার্ড গ্রহণ করলেও কিছুদিন চলার পর তা সাসপেন্ড করে দেয়।
এখন কিভাবে সঠিক উপায়ে বুস্ট করবেন তা আলোচনা করি

প্রথেম  ফেসবুক পেজ একাউন্ট এ প্রবেশ করবেন তারপর ফেসবুক এর  সব অংশ মানে এবাউট, বিজনেস টাইপ,ক্যাটাগরি ইত্যদি ভালো ভাবে সাজিয়ে নিবেন এখন আপনার ডেবিট কার্ড বা ক্রেডিট ডুয়েল কারেন্সি কার্ড লাগবে বুস্ট করার জন্য। সব চাইতে সুবিধা হচ্ছে ইবিএল ইকুয়া কার্ড যারা নতুন তাদের জন্য । এখন অডিয়েন্স,লোকেশন, ঠিক করে সিলেক্ট করুন। কত দিনের জন্য বুস্ট করতে চাচ্ছেন তা ঠিক করুন। যদি কোন কিছু বুজতে অসুবিধা হয় তাহলে আপনার পরিচিত ডিজিটাল মার্কেটার এর সহযোগিতা নেন। লিস্ট আকারের বিষয় গুলো সঠিকভাবে করতে পারলে আপনিও ফেসবুক বুস্ট করতে পারবেন-

  • Choose a post to boost
  • Target your audience
  • Set your budget
  • Set the boost duration
  • Preview the post
    যদি কোন ডিজিটাল এজেন্সি এর মাধ্যমে বুস্ট করাতে চান তাহলে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেনঃ প্রথম তাদের বিজনেস ভ্যালু যাচাই করেন মানে তাদের পেজে ডুকে রিভিউ কেমন তা দেখুন। যারা সার্ভিস নিয়েছে তাদের মতামত কি কি ছিল তা ভালভাবে লক্ষ্য করুন । প্রতি ডলার এ কত অডিয়েন্স এর কাছে আপনার পোস্ট রিচ করাবে তা জেনে নিন। কিওয়ার্ড রিসার্চ করে কনটেন্ট ওরা দিবে কিনা তা কথা বলে নিবেন। ইউটিউব বিষয়ে জানতে আমার ইউটিউভ এসইও আর্টিকেল টি এইখানে থেকে পড়তে পারেন Youtube-seo

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here